মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহের এইচএসসি ২০২৬ পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫১.৪৪ শতাংশ। গত বছর (২০২৫) এই হার ছিল ৫১.৫৪ শতাংশ, অর্থাৎ এক বছরে কমেছে মাত্র ০.১০ শতাংশ পয়েন্ট। তবে ২০২৩ সালের ৭০.৪৪ শতাংশের সঙ্গে তুলনা করলে চার বছরে পাসের হার কমেছে ১৯ শতাংশ পয়েন্ট।
গত ৩১ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার ফরম পূরণ করেছিলেন ৭৩ হাজার ৪২০ জন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৭০ হাজার ৬৭৩ জন, পাস করেছেন ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ১৩৭ জন।
ময়মনসিংহ বোর্ড এইচএসসি ২০২৬: পূর্ণাঙ্গ ফলাফল এক নজরে
| বিষয় | ছাত্র | ছাত্রী | মোট |
|---|---|---|---|
| ফরম পূরণকারী | ৩৪,৫৫৮ | ৩৮,৮৬২ | ৭৩,৪২০ |
| অংশগ্রহণকারী | ৩৩,০৩৭ | ৩৭,৬৩৬ | ৭০,৬৭৩ |
| বহিষ্কার | ২৫ | ১৬ | ৪১ |
| পাস | ১৫,৬৪৭ | ২০,৭০৭ | ৩৬,৩৫৪ |
| পাসের হার | ৪৭.৩৬% | ৫৫.০২% | ৫১.৪৪% |
| জিপিএ-৫ | ১,০১৮ | ১,১১৯ | ২,১৩৭ |
বিভাগভিত্তিক ফলাফল: বিজ্ঞানে সবচেয়ে ভালো, মানবিকে সবচেয়ে বেশি অকৃতকার্য
বিভাগভিত্তিক হিসাবে এগিয়ে আছে বিজ্ঞান। এ বিভাগে পাসের হার ৭৫.৫৬ শতাংশ। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৪৫.০০ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪২.৭০ শতাংশ।
| বিভাগ | ফরম পূরণ | অংশগ্রহণ | বহিষ্কার | জিপিএ-৫ | পাস | পাসের হার | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| বিজ্ঞান | ছাত্র | ৮,১০২ | ৭,৭০৭ | ৭ | ৮৯১ | ৫,৬৫৬ | ৭৩.৩৯% |
| ছাত্রী | ৭,৮০০ | ৭,৫৭৭ | ৩ | ৮২১ | ৫,৮৯২ | ৭৭.৭৬% | |
| মোট | ১৫,৯০২ | ১৫,২৮৪ | ১০ | ১,৭১২ | ১১,৫৪৮ | ৭৫.৫৬% | |
| মানবিক | ছাত্র | ২২,৬৪০ | ২১,৭০৩ | ১৭ | ১০১ | ৮,৫৪৫ | ৩৯.৩৭% |
| ছাত্রী | ২৯,৩১৮ | ২৮,৪০৭ | ১৩ | ২৮৬ | ১৪,০০৭ | ৪৯.৩১% | |
| মোট | ৫১,৯৫৮ | ৫০,১১০ | ৩০ | ৩৮৭ | ২২,৫৫২ | ৪৫.০০% | |
| ব্যবসায় শিক্ষা | ছাত্র | ৩,৮১৬ | ৩,৬২৭ | ১ | ২৬ | ১,৪৪৬ | ৩৯.৮৭% |
| ছাত্রী | ১,৭৪৪ | ১,৬৫২ | ০ | ১২ | ৮০৮ | ৪৮.৯১% | |
| মোট | ৫,৫৬০ | ৫,২৭৯ | ১ | ৩৮ | ২,২৫৪ | ৪২.৭০% | |
| সর্বমোট | ছাত্র | ৩৪,৫৫৮ | ৩৩,০৩৭ | ২৫ | ১,০১৮ | ১৫,৬৪৭ | ৪৭.৩৬% |
| ছাত্রী | ৩৮,৮৬২ | ৩৭,৬৩৬ | ১৬ | ১,১১৯ | ২০,৭০৭ | ৫৫.০২% | |
| মোট | ৭৩,৪২০ | ৭০,৬৭৩ | ৪১ | ২,১৩৭ | ৩৬,৩৫৪ | ৫১.৪৪% |
বোর্ডের পরিসংখ্যান থেকে হিসাব করে দেখা যায়:
- পরীক্ষায় অংশ নেওয়াদের প্রায় ৭১ শতাংশই মানবিক বিভাগের (৫০,১১০ জন)। বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থী প্রায় ২২ শতাংশ (১৫,২৮৪ জন) এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের প্রায় ৭.৫ শতাংশ (৫,২৭৯ জন)।
- মোট ৩৪ হাজার ৩১৯ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। এর মধ্যে মানবিক বিভাগের ২৭ হাজার ৫৫৮ জন, অর্থাৎ প্রায় ৮০ শতাংশ। বিজ্ঞান বিভাগে অকৃতকার্য ৩ হাজার ৭৩৬ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩ হাজার ২৫ জন।
- জিপিএ-৫ পাওয়া ২ হাজার ১৩৭ জনের মধ্যে ১ হাজার ৭১২ জনই বিজ্ঞান বিভাগের, যা প্রায় ৮০ শতাংশ। মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৮৭ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষায় ৩৮ জন।
- তিনটি বিভাগেই ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীদের পাসের হার বেশি। সবচেয়ে বড় ব্যবধান মানবিক বিভাগে (৯.৯৪ শতাংশ পয়েন্ট)।
জিপিএ ভিত্তিক বিশ্লেষণ
পাস করা ৩৬ হাজার ৩৫৪ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯ হাজার ১৪৭ জন পেয়েছেন ৩.০০ থেকে ৩.৫০-এর কম জিপিএ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মোট পরীক্ষার্থীর ৩.০২ শতাংশ।
| জিপিএ | ছাত্র | ছাত্রী | মোট | |||
|---|---|---|---|---|---|---|
| সংখ্যা | শতাংশ | সংখ্যা | শতাংশ | সংখ্যা | শতাংশ | |
| জিপিএ-৫ | ১,০১৮ | ৩.০৮ | ১,১১৯ | ২.৯৭ | ২,১৩৭ | ৩.০২ |
| ৪.০০ থেকে ৫.০০-এর কম | ৩,৩৫৫ | ১০.১৬ | ৪,৮৪০ | ১২.৮৬ | ৮,১৯৫ | ১১.৬০ |
| ৩.৫০ থেকে ৪.০০-এর কম | ৩,৩১৭ | ১০.০৪ | ৫,২০১ | ১৩.৮২ | ৮,৫১৮ | ১২.০৫ |
| ৩.০০ থেকে ৩.৫০-এর কম | ৩,৮২৮ | ১১.৫৯ | ৫,৩১৯ | ১৪.১৩ | ৯,১৪৭ | ১২.৯৪ |
| ২.০০ থেকে ৩.০০-এর কম | ৩,৯৪৪ | ১১.৯৪ | ৪,১৩৮ | ১০.৯৯ | ৮,০৮২ | ১১.৪৪ |
| ১.০০ থেকে ২.০০-এর কম | ১৮৫ | ০.৫৬ | ৯০ | ০.২৪ | ২৭৫ | ০.৩৯ |
| মোট পাস | ১৫,৬৪৭ | ৪৭.৩৬ | ২০,৭০৭ | ৫৫.০২ | ৩৬,৩৫৪ | ৫১.৪৪ |
বিভাগভিত্তিক জিপিএ বণ্টন
| বিভাগ | জিপিএ-৫ | ৪.০০–৫.০০-এর কম | ৩.৫০–৪.০০-এর কম | ৩.০০–৩.৫০-এর কম | ২.০০–৩.০০-এর কম | ১.০০–২.০০-এর কম |
|---|---|---|---|---|---|---|
| বিজ্ঞান | ১,৭১২ (১১.২০%) | ৩,৯০৩ (২৫.৫৪%) | ২,৮৫২ (১৮.৬৬%) | ২,০৯৮ (১৩.৭৩%) | ৯৮৩ (৬.৪৩%) | ০ (০.০০%) |
| মানবিক | ৩৮৭ (০.৭৭%) | ৩,৯৯৪ (৭.৯৭%) | ৫,২৭৩ (১০.৫২%) | ৬,৪৪০ (১২.৮৫%) | ৬,২৩১ (১২.৪৩%) | ২২৭ (০.৪৫%) |
| ব্যবসায় শিক্ষা | ৩৮ (০.৭২%) | ২৯৮ (৫.৬৫%) | ৩৯৩ (৭.৪৪%) | ৬০৯ (১১.৫৪%) | ৮৬৮ (১৬.৪৪%) | ৪৮ (০.৯১%) |
বিজ্ঞান বিভাগে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী (৩,৯০৩ জন) ৪.০০ থেকে ৫.০০-এর কম জিপিএ পেয়েছেন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে বেশির ভাগ কৃতকার্য পরীক্ষার্থীর জিপিএ ৩.৫০-এর নিচে।
ছাত্র না ছাত্রী: কারা এগিয়ে
এবারও পাসের হারে ছাত্রীরা এগিয়ে। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৫.০২ শতাংশ, ছাত্রদের ৪৭.৩৬ শতাংশ। পাস করেছেন ২০ হাজার ৭০৭ জন ছাত্রী ও ১৫ হাজার ৬৪৭ জন ছাত্র। জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায়ও ছাত্রীরা (১,১১৯ জন) এগিয়ে, ছাত্র ১,০১৮ জন। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হারে সামান্য এগিয়ে ছাত্ররা (৩.০৮ শতাংশ, ছাত্রী ২.৯৭ শতাংশ)।
গত তিন বছরের সঙ্গে তুলনা (২০২৩–২০২৬)
বোর্ডের তুলনামূলক পরিসংখ্যানে ২০২৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চার বছরের চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো।
পরীক্ষার্থীর সংখ্যা
| সাল | ফরম পূরণকারী | অংশগ্রহণকারী | ||||
|---|---|---|---|---|---|---|
| ছাত্র | ছাত্রী | মোট | ছাত্র | ছাত্রী | মোট | |
| ২০২৬ | ৩৪,৫৫৮ | ৩৮,৮৬২ | ৭৩,৪২০ | ৩৩,০৩৭ | ৩৭,৬৩৬ | ৭০,৬৭৩ |
| ২০২৫ | ৩৭,৫১১ | ৪১,৭২৬ | ৭৯,২৩৭ | ৩৫,৬০৭ | ৪০,২৪৮ | ৭৫,৮৫৫ |
| ২০২৪ | ৩৮,১৭৭ | ৪০,৭৪৩ | ৭৮,৯২০ | ৩৭,৪৫৩ | ৪০,১৬৮ | ৭৭,৬২১ |
| ২০২৩ | ৩৬,৬৬৫ | ৪০,৭৯২ | ৭৭,৪৫৭ | ৩৫,৮০৬ | ৪০,০৩৯ | ৭৫,৮৪৫ |
পাস ও পাসের হার
| সাল | পাস | পাসের হার (%) | ||||
|---|---|---|---|---|---|---|
| ছাত্র | ছাত্রী | মোট | ছাত্র | ছাত্রী | মোট | |
| ২০২৬ | ১৫,৬৪৭ | ২০,৭০৭ | ৩৬,৩৫৪ | ৪৭.৩৬ | ৫৫.০২ | ৫১.৪৪ |
| ২০২৫ | ১৬,৬৭৬ | ২২,৪২০ | ৩৯,০৯৬ | ৪৬.৮৩ | ৫৫.৭০ | ৫১.৫৪ |
| ২০২৪ | ২২,৯৩৫ | ২৬,১৩৪ | ৪৯,০৬৯ | ৬১.২৪ | ৬৫.০৬ | ৬৩.২২ |
| ২০২৩ | ২৪,৯২৩ | ২৮,৫০৩ | ৫৩,৪২৬ | ৬৯.৬১ | ৭১.১৯ | ৭০.৪৪ |
বহিষ্কার, জিপিএ-৫ ও প্রতিষ্ঠানের ফল
| সাল | বহিষ্কার | জিপিএ-৫ | প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা | |||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ছাত্র | ছাত্রী | মোট | ছাত্র | ছাত্রী | মোট | ০% পাস | ১০০% পাস | |
| ২০২৬ | ২৫ | ১৬ | ৪১ | ১,০১৮ | ১,১১৯ | ২,১৩৭ | ১৯ | ৫ |
| ২০২৫ | ৩৫ | ১৬ | ৫১ | ১,১১৭ | ১,৫৬৭ | ২,৬৮৪ | ১৫ | ৩ |
| ২০২৪ | ৩২ | ১১ | ৪৩ | ২,১০৯ | ২,৭১৭ | ৪,৮২৬ | ৪ | ৫ |
| ২০২৩ | ৩৫ | ১৪ | ৪৯ | ১,৪০৫ | ১,৮৩৯ | ৩,২৪৪ | ৪ | ২ |
- আরও পড়ুন>>> ময়মনসিংহ বোর্ডে এইচএসসিতে জেলাভিত্তিক ফল: সেরা ময়মনসিংহ, পিছিয়ে জামালপুর
- ময়মনসিংহ বোর্ড এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬: পাসের হার ৫১.৪৪%
তুলনামূলক বিশ্লেষণ: যা বলছে পরিসংখ্যান
- পাসের হার প্রায় অপরিবর্তিত: ২০২৫ সালে ৫১.৫৪ শতাংশ থেকে ২০২৬ সালে ৫১.৪৪ শতাংশ। কমেছে ০.১০ শতাংশ পয়েন্ট।
- চার বছরে বড় পতন: ২০২৩ সালে পাসের হার ছিল ৭০.৪৪ শতাংশ। ২০২৪ সালে তা কমে হয় ৬৩.২২ এবং ২০২৫ সালে ৫১.৫৪ শতাংশ। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে পাসের হার ১৯ শতাংশ পয়েন্ট কম।
- পরীক্ষার্থী কমেছে: গত বছর ফরম পূরণ করেছিলেন ৭৯ হাজার ২৩৭ জন, এবার ৭৩ হাজার ৪২০ জন। কমেছে ৫ হাজার ৮১৭ জন, প্রায় ৭.৩৪ শতাংশ। অংশগ্রহণকারী কমেছে ৫ হাজার ১৮২ জন।
- পাসের সংখ্যা কমেছে: ২০২৫ সালে পাস করেছিলেন ৩৯ হাজার ৯৬ জন, এবার ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন। ২০২৩ সালে পাস করেছিলেন ৫৩ হাজার ৪২৬ জন, অর্থাৎ তিন বছরে পাসের সংখ্যা কমেছে ১৭ হাজার ৭২ জন।
- জিপিএ-৫ কমেছে টানা দুই বছর: ২০২৪ সালে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮২৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা নামে ২ হাজার ৬৮৪ জনে এবং এবার আরও কমে ২ হাজার ১৩৭ জন। গত বছরের তুলনায় কমেছে ৫৪৭ জন, প্রায় ২০.৩৮ শতাংশ।
- ছাত্র-ছাত্রীর ব্যবধান বেড়েছে: ২০২৩ সালে ছাত্রী ও ছাত্রের পাসের হারের ব্যবধান ছিল ১.৫৮ শতাংশ পয়েন্ট। ২০২৪ সালে ৩.৮২, ২০২৫ সালে ৮.৮৭ এবং এবার ৭.৬৬ শতাংশ পয়েন্ট। চার বছরে ছাত্রদের পাসের হার কমেছে ২২.২৫ শতাংশ পয়েন্ট, ছাত্রীদের কমেছে ১৬.১৭ শতাংশ পয়েন্ট।
- এক বছরে ছাত্রদের হার সামান্য বেড়েছে: ছাত্রদের পাসের হার ৪৬.৮৩ থেকে বেড়ে ৪৭.৩৬ শতাংশ হয়েছে। ছাত্রীদের হার ৫৫.৭০ থেকে কমে ৫৫.০২ শতাংশ হয়েছে।
- বহিষ্কার কম: চার বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে কম, ৪১ জন। ২০২৫ সালে ছিল ৫১ জন, ২০২৪ সালে ৪৩ জন এবং ২০২৩ সালে ৪৯ জন।
- শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান বেড়েছে: এবার ১৯টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেননি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠান ছিল ১৫টি, ২০২৪ ও ২০২৩ সালে ৪টি করে। শতভাগ পাস করেছে ৫টি প্রতিষ্ঠান (২০২৫ সালে ৩টি, ২০২৪ সালে ৫টি, ২০২৩ সালে ২টি)।
বোর্ডের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে পাসের হার কমার কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
এবার সারা দেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ৫৮.৮৩ শতাংশের চেয়ে ৬.৭১ শতাংশ পয়েন্ট কম। ময়মনসিংহ বোর্ডের পাসের হার (৫১.৪৪%) দেশের গড়ের সামান্য নিচে।
প্রশ্নোত্তরে ময়মনসিংহ বোর্ডের এইচএসসি ২০২৬ ফল বিশ্লেষণ
ময়মনসিংহ বোর্ডে এইচএসসি ২০২৬ এ পাসের হার কত?
পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ। অংশগ্রহণকারী ৭০,৬৭৩ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৩৬,৩৫৪ জন।
গত বছরের তুলনায় পাসের হার কত কমেছে?
২০২৫ সালে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫১.৫৪ শতাংশ। এবার ৫১.৪৪ শতাংশ, অর্থাৎ ০.১০ শতাংশ পয়েন্ট কম।
কোন বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে বেশি?
বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে বেশি, ৭৫.৫৬ শতাংশ। মানবিকে ৪৫.০০ এবং ব্যবসায় শিক্ষায় ৪২.৭০ শতাংশ।
ময়মনসিংহ বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন কতজন?
মোট ২,১৩৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১,০১৮ জন এবং ছাত্রী ১,১১৯ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২,৬৮৪ জন।
কয়টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস এবং কয়টিতে কেউ পাস করেনি?
৫টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। ১৯টি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য।
সূত্র: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ (ফলাফল পরিসংখ্যান ও তুলনামূলক পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৬, প্রকাশের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৬)







